দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার সব ধর্মেরই মূল উপজীব্য। মানবতার কল্যাণও সব ধর্মের অন্যতম প্রধান শিক্ষা।
তিনি বলেন, নিজ নিজ ধর্মীয় বিধান ও সংস্কৃতি চর্চার পাশাপাশি পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্মান ও সহমর্মিতা বজায় রেখে সমাজে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা সবার জন্য জরুরি।
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ উপলক্ষে তিনি বাংলাদেশসহ বিশ্বের হিন্দু সম্প্রদায়কে শুভেচ্ছা জানান।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, হিন্দুধর্মমতে, জগতের মঙ্গল কামনায় দেবী দুর্গা স্বর্গলোক থেকে মর্ত্যলোকে আসেন। তিনি ভক্তদের কল্যাণ সাধন, অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সৃষ্টিকে লালন করেন। অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য ও সুন্দরের আরাধনা শারদীয় দুর্গোৎসবের তাৎপর্যকে অনন্য মাত্রা দিয়েছে।
তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষ যুগ যুগ ধরে উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে নিজ নিজ ধর্ম পালন করে আসছেন। এটিই দেশের আবহমান ধর্মীয়, সামাজিক মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির সৌন্দর্য। ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন ধর্ম, গোত্র ও সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে বন্ধুত্ব, সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, হাজারো প্রাণের বিনিময়ে ফ্যাসিস্টের বিতাড়নের পর বাংলাদেশ আবারও গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে। শুরু হয়েছে দেশ পুনর্গঠনের বিশাল কর্মযজ্ঞ। দল, মত, ধর্ম ও বর্ণনির্বিশেষে সব নাগরিকের জন্য কল্যাণমূলক, নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করাই সরকারের অঙ্গীকার।
তিনি বলেন, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বার্তায় সমৃদ্ধ হয়ে উঠুক দেশের বহুমাত্রিক সমাজ ও জীবনবোধ।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাই ও বোনেরা, আপনারা উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে নিশ্চিন্তে ও নিরাপদে সারা দেশে উৎসবের আনন্দ উদ্যাপন করুন।’
বাণীর শেষে হিন্দু সম্প্রদায়কে আবারও শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী।
যে আই